শেষ বিকেলের মেয়ে (হার্ডকভার) জহির রায়হান
Tk 200
Title : শেষ বিকেলের মেয়ে (হার্ডকভার)
Author : জহির রায়হান
Country : Bangladesh
Language : Bangla
Number of Pages : 80
Edition : 7th
Author : জহির রায়হান
Country : Bangladesh
Language : Bangla
Number of Pages : 80
Edition : 7th
বইয়ের নাম : শেষ বিকেলের মেয়ে
লেখক : জহির রায়হান
শেষ বিকেলের মেয়ে কে? নাহার, জাহানারা, সালমা নাকি শিউলি? এই রহস্য জানার জন্য আস্তে আস্তে একপাতা একপাতা করে এগিয়ে যাই। অবশেষে বুজতে পারলাম নাহার হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে। শেষ পৃষ্ঠা না পড়া পর্যন্ত বুজার অবকাশ নেই যে এই উপন্যাসের আসল চরিত্র কে।
শেষ বিকেলের মেয়ে (হার্ডকভার) জহির রায়হান
কাসেদ পেশায় কেরানি। মা এবং খালাতো বোন নিয়ে তাদের পরিবার। জাহানারা ছিলো কাসেদের ভালোবাসার মানুষ। জাহানারা কে সে সব সময় তার বউ হিসেবে চাইতো। জাহানারার জন্মদিনে শিউলির সাথে পরিচয় হয় কাসেদের। শিউলি কাসেদের খুব কাছে আসতে চাইতো। শিউলি চাইতো কাসেদ তাঁর ভালো বন্ধু হোক। শিউলি আর কাসেদের এই মিলামেশা দেখে জাহানারা ভেবেছিলো তাদের মাঝে কোনো সম্পর্ক আছে । শিউলির এই ভুল ভাঙ্গানোর জন্য কাসেদ জাহানারার বাড়িতে গেলে তাকে অপমানিত হতে হয়। এই অপমান সহ্য করতে না পেরে শিউলিকে সে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু শিউলিও তাকে প্রত্যাখ্যান করে। কাসেদ ভাবলো শিউলি আর জাহানারা দুইজন নয়,এক। একি মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ।
তাঁর কিছুদিন পর কাসেদের মা মারা যায়। নাহারের ও বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। নাহারকে বিয়ে দেয়ার জন্য কাসেদের খালু নাহারকে তাদের বাসায় নিয়ে যায়।
একলা ঘরে কাসেদের দিন গুলো খুব খারাপভাবে কাটতে লাগলো। হঠাৎ একদিন দরজায় নক করার শব্দ পেয়ে কাসেদ দরজা খুলে দেখে নাহার দাড়িয়ে আছে। কাসেদ খুব অবাক হয়ে তাকে জিজ্ঞাস করলো কাল তার বিয়ে সে আজকে এখানে কেনো? নাহার উত্তর দেয় বিয়ে আমার অনেক আগেই হয়ে গিয়েছে। কাসেদ প্রশ্ন করে কার সাথে? নাহার বলে যার সাথে হওয়ার কথা ছিলো তার কাছেই ফিরে এসেছি।
জহির রায়হান
জহির রায়হান : জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট বর্তমান ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে। প্রাথমিক শিক্ষা কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউট ও আলিয়া মাদ্রাসায়। ফেনীর আমিরাবাদ হাই স্কুল থেকে প্রবেশিকা পাস করেন। তার আগেই কলকাতার বিখ্যাত নতুন সাহিত্য পত্রিকায় ‘ওদের জানিয়ে দাও শিরােনামে তার একটি কবিতা প্রকাশিত হয়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে যােগ দিয়ে কারাবরণ করেন। ১৯৫৩ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে আইএসসি ও ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ সম্মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রখ্যাত চিত্র পরিচালক জে এ কারদারের সহকারী হিসেবে। তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘কখনাে আসেনি' মুক্তিলাভ করে ১৯৬১ সালে।
ছাত্রজীবনেই তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ সূর্যগ্রহণ প্রকাশিত হয়। ১৯৬৪ সালে তার হাজার বছর ধরে উপন্যাসটির জন্য তিনি আদমজি পুরস্কার লাভ করেন। পাকিস্তানের প্রথম রঙিন ছবি ‘সঙ্গম' তাঁর হাত দিয়েই তৈরি হয়। ১৯৭০ সালে মুক্তিলাভ করে তাঁর পরিচালিত ‘জীবন থেকে নেয়া ছবিটি। এটি ছিল এদেশের প্রথম যথার্থ রাজনৈতিক চেতনাসমৃদ্ধ ছবি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তৈরি করেন ‘স্টপ জেনােসাইড' ও ‘এ স্টেট ইজ বর্ন ছবি দুটো। এ সময় গঠিত বাংলাদেশ বুদ্ধিজীবী মুক্তি পরিষদ’ এর তিনি ছিলেন সাধারণ সম্পাদক। স্বাধীনতার পর দেশে ফিরে তিনি বুদ্ধিজীবী হত্যা তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি বড় ভাই শহীদ সাংবাদিকঔপন্যাসিক শহীদুল্লা কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে তিনি নিখোঁজ হন। সাহিত্যকর্মের জন্য জহির রায়হান বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৭২) ও স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৯২) এবং চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় একুশে পদক লাভ করেন (১৯৭৭)।
লেখক : জহির রায়হান
শেষ বিকেলের মেয়ে কে? নাহার, জাহানারা, সালমা নাকি শিউলি? এই রহস্য জানার জন্য আস্তে আস্তে একপাতা একপাতা করে এগিয়ে যাই। অবশেষে বুজতে পারলাম নাহার হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে। শেষ পৃষ্ঠা না পড়া পর্যন্ত বুজার অবকাশ নেই যে এই উপন্যাসের আসল চরিত্র কে।
শেষ বিকেলের মেয়ে (হার্ডকভার) জহির রায়হান
কাসেদ পেশায় কেরানি। মা এবং খালাতো বোন নিয়ে তাদের পরিবার। জাহানারা ছিলো কাসেদের ভালোবাসার মানুষ। জাহানারা কে সে সব সময় তার বউ হিসেবে চাইতো। জাহানারার জন্মদিনে শিউলির সাথে পরিচয় হয় কাসেদের। শিউলি কাসেদের খুব কাছে আসতে চাইতো। শিউলি চাইতো কাসেদ তাঁর ভালো বন্ধু হোক। শিউলি আর কাসেদের এই মিলামেশা দেখে জাহানারা ভেবেছিলো তাদের মাঝে কোনো সম্পর্ক আছে । শিউলির এই ভুল ভাঙ্গানোর জন্য কাসেদ জাহানারার বাড়িতে গেলে তাকে অপমানিত হতে হয়। এই অপমান সহ্য করতে না পেরে শিউলিকে সে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু শিউলিও তাকে প্রত্যাখ্যান করে। কাসেদ ভাবলো শিউলি আর জাহানারা দুইজন নয়,এক। একি মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ।
তাঁর কিছুদিন পর কাসেদের মা মারা যায়। নাহারের ও বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। নাহারকে বিয়ে দেয়ার জন্য কাসেদের খালু নাহারকে তাদের বাসায় নিয়ে যায়।
একলা ঘরে কাসেদের দিন গুলো খুব খারাপভাবে কাটতে লাগলো। হঠাৎ একদিন দরজায় নক করার শব্দ পেয়ে কাসেদ দরজা খুলে দেখে নাহার দাড়িয়ে আছে। কাসেদ খুব অবাক হয়ে তাকে জিজ্ঞাস করলো কাল তার বিয়ে সে আজকে এখানে কেনো? নাহার উত্তর দেয় বিয়ে আমার অনেক আগেই হয়ে গিয়েছে। কাসেদ প্রশ্ন করে কার সাথে? নাহার বলে যার সাথে হওয়ার কথা ছিলো তার কাছেই ফিরে এসেছি।
জহির রায়হান
জহির রায়হান : জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট বর্তমান ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে। প্রাথমিক শিক্ষা কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউট ও আলিয়া মাদ্রাসায়। ফেনীর আমিরাবাদ হাই স্কুল থেকে প্রবেশিকা পাস করেন। তার আগেই কলকাতার বিখ্যাত নতুন সাহিত্য পত্রিকায় ‘ওদের জানিয়ে দাও শিরােনামে তার একটি কবিতা প্রকাশিত হয়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে যােগ দিয়ে কারাবরণ করেন। ১৯৫৩ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে আইএসসি ও ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ সম্মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রখ্যাত চিত্র পরিচালক জে এ কারদারের সহকারী হিসেবে। তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘কখনাে আসেনি' মুক্তিলাভ করে ১৯৬১ সালে।
ছাত্রজীবনেই তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ সূর্যগ্রহণ প্রকাশিত হয়। ১৯৬৪ সালে তার হাজার বছর ধরে উপন্যাসটির জন্য তিনি আদমজি পুরস্কার লাভ করেন। পাকিস্তানের প্রথম রঙিন ছবি ‘সঙ্গম' তাঁর হাত দিয়েই তৈরি হয়। ১৯৭০ সালে মুক্তিলাভ করে তাঁর পরিচালিত ‘জীবন থেকে নেয়া ছবিটি। এটি ছিল এদেশের প্রথম যথার্থ রাজনৈতিক চেতনাসমৃদ্ধ ছবি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তৈরি করেন ‘স্টপ জেনােসাইড' ও ‘এ স্টেট ইজ বর্ন ছবি দুটো। এ সময় গঠিত বাংলাদেশ বুদ্ধিজীবী মুক্তি পরিষদ’ এর তিনি ছিলেন সাধারণ সম্পাদক। স্বাধীনতার পর দেশে ফিরে তিনি বুদ্ধিজীবী হত্যা তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি বড় ভাই শহীদ সাংবাদিকঔপন্যাসিক শহীদুল্লা কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে তিনি নিখোঁজ হন। সাহিত্যকর্মের জন্য জহির রায়হান বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৭২) ও স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৯২) এবং চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় একুশে পদক লাভ করেন (১৯৭৭)।